1. admin@mayerdowatelecom.com : admin :
  2. f4gjdsqm@1secmail.com : wpuser_fykafexbkchz :
ভবিষ্যতে আমাদের স্মার্টফোন কেমন হতে চলেছে -mayerdowatelecom.com - মায়ের দোয়া টেলিকম
রবিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২২, ০৭:২১ অপরাহ্ন

ভবিষ্যতে আমাদের স্মার্টফোন কেমন হতে চলেছে -mayerdowatelecom.com

মায়ের দোয়া টেলিকম
  • আপডেট সময় : সোমবার, ১ নভেম্বর, ২০২১
  • ৩৯২ বার পঠিত



কেমন দেখতে হবে ভবিষ্যতের স্মার্ট ফোন গুলো? কয়েকটি ভবিষ্যৎবাণী যা শুনলে আপনি নিজেই অবাক হয়েযাবেন
কনফার্ম। তাই আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ, ভিডিওটি না টেনে সম্পূর্ণ দেখার।

হ্যালো বন্ধুরা স্বাগতম আপনাকে SK MEDIA OFFICIAL চ্যানেলের আরেকটি নতুন ভিডিও তে।মূল ভিডিও শুরু করার আগে আপনাদের একটি কথা বলতে চাই। আমাদের ভিডিও গুলি আপনাদের জন্য তৈরি করা হয় আনেক কষ্ট করে, তাই আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ সবাস্কাইব করুন আমার চ্যানেলটি এবং পাশে থাকা বেল-আইকনটি বাজিয়ে দিন।
চলুন শুরুরা যাক।

১৯৯৩ সালে যখন সিটিসেল বাংলাদেশে আসে, তখন হাতে একটা মোবাইল ফোন থাকা ছিল স্বপ্নের মত। অনেকটা এখনকার দিনে বিএমডব্লিউ গাড়ি থাকার মত। তাও সেটা ছিল বড় অ্যান্টেনা যুক্ত খুবই সাধারণ ফোন, যাতে কল করা ছাড়া কিছুই করা যেত না। যদি কোন ফোনে কয়েকটি রিংটোন থাকত কিংবা কয়েক ভয়েস রেকর্ড করা যেত, সেটাই ছিল অনেক কিছু। তখন আপনি যদি বলতেন, ভবিষ্যতে এখনকার মত উচ্চ প্রযুক্তির ফোন গুলো আসবে তাহলে আপনাকে লোকে হয়ত পাগল বলত। এতদিনে প্রযুক্তি দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েছে। ঝলমলে বড় টাচস্ক্রীন, চিত্তাকর্ষক ক্যামেরা এবং থ্রিডি ফেচ রিকগনিশনের মত উচ্চ-প্রযুক্তির ফিচার গুলো দিয়ে আজকের ফোন গুলো আসলেই খেলা দেখিয়েছে। এখন আমরা গান শোনার জন্য, গেম খেলার জন্য, ইউটিউবের ভিডিও দেখার জন্য ইত্যাদি নানা কাজে মোবাইল ব্যবহার করি। কিন্তু ২০ বছর আগেও যেখানে শুধু কল করার জন্য মোবাইল ব্যবহার করা হত।
তাহলে ভেবে দেখুন ১০, ২০ বা ৫০ বছর পরে এই মোবাইল ফোন গুলো দিয়ে কিই না করা যেতে পারে। আর এই মোবাইল ফোন গুলো দেখতেই বা কেমন হবে? আসুন দেখি আমার ইন্টারনেট ঘেঁটে বের করা গবেষকদের ভবিষ্যৎবাণী গুলো।

চিন্তা নিয়ন্ত্রিতঃ
আগে যেখানে আমরা শুধু কীবোর্ড বাটন দিয়ে মোবাইল ব্যবহার করতাম, এখন স্মার্ট ফোনে সেটা পুরোপুরি টাচ দ্বারা প্রতিষ্ঠাপিত হয়েছে। আবার গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট বা অ্যাপলের সিরির মত সার্ভিস দিয়ে আমরা শুধু কণ্ঠ দিয়ে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারি।এখন ধারণা করা হয় যে ভবিষ্যতে এর জায়গা নেবে mind control বা চিন্তা দিয়ে নিয়ন্ত্রণ। এর মাধ্যমে যে গুলো আমরা টাচ বা কণ্ঠ দিয়ে করি সেগুলো চিন্তা দ্বারা করতে পারব। আপনি যা ভাববেন বা চিন্তা করবেন সেটাই হবে ফোনে। আপনি একটা অ্যাপ চালু করার কথা চিন্তা করলেই সেটি চালু হয়ে যাবে। আপনি ইউটিউবে একটা নির্দিষ্ট গান শোনার কথা ভাবলে সেই গান টিই চালু হবে। আপনি চিন্তা দিয়েই একটি বার্তা লিখতে পারবেন, পর্দার উজ্জ্বলতা কম বেশি করতে পারবেন।
চিন্তা দিয়ে কাজ করার কারনে আপনি খুব দ্রুত ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। এর ফলে আপনাকে কোন অ্যাপ চালু করার জন্য মোবাইলের উপর নিচে সুইপ করে খুঁজে বেড়ানো লাগবে না। আপনি যে কোন কাজ করবেন জাস্ট একটা হৃৎস্পন্দনে।ভবিষ্যতে এই ধরনের কোন প্রযুক্তি আসলে আপনার মাথার সাথে লাগানো অদ্ভুত তারযুক্ত সেন্সরটি পরতে প্রয়োজন হবে না।যদিও আপনার চিন্তা দিয়ে স্মার্টফোন ব্যবহারের ধারনা এখন পাগলামি বলে মনে হয়, কিন্তু এটি এক সময় আসবে!

ওভার দ্য এয়ার চার্জিংঃ
একটা জিনিস কিন্তু আপনাকে মানতেই হবে যে গড়পড়তা স্মার্টফোনের ব্যাটারি লাইফ খুব একটা বেশি নয়। এমনকি যদি বৃহদায়তন 4,200mAh ব্যাটারির সঙ্গে, সঙ্গী 20 প্রো মত একটি উচ্চ ব্যাটারি খাদক ফোন থাকে, তাও আপনি শুধুমাত্র গড় ব্যবহারে প্রায় দুই দিন চলবে, একবার যদি চার্জ ফুরিয়ে যায়, তাহলে আপনাকে হয় কয়েক ঘণ্টার জন্য এটি প্লাগ ইন রাখতে হবে অথবা একটি ওয়্যারলেস চার্জিং প্যাডে রাখতে হবে, যদি এটা আপনার ফোন সমর্থনকরে।
ওভার দ্য এয়ার চার্জিং থাকলে, আপনাকে আর ফোন, চার্জ করার জন্য ফেলে রাখতে হবে না। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতেই গবেষণা চলছে সমাধানের। যদিও এই জিনিসটা আমার কাছে একটু অদ্ভুত ঠেকেছে। তার ছাড়া ইন্ডাকশন উপায়ে হয়ত আমরা ওয়্যারলেস পড দিয়ে চার্জ করতে পারি। কিন্তু বাতাসের মাধ্যমে চার্জ! পুরাই অবিশ্বাস্য!
যদিও বিষয়টি ভবিষ্যতে ভিন্ন হতে পারে। কিন্তু ‘এনার্জিস’ নামের একটি কোম্পানি বিমান থেকে ডিভাইস চার্জ করার প্রযুক্তি তৈরি করেছে। আপনার ফোন টি ওয়াটআপ মিড ফিল্ড ট্রান্সমিটার যন্ত্রের তিন ফুটের মধ্যে রাখলে এটি চার্জ করা শুরু করবে । একটি ভবিষ্যৎ কল্পনা করুন যেখানে এই ট্রান্সমিটার অনেক বেশি শক্তিশালী। বড় দূরত্বে ডিভাইস ওভার এয়ার চার্জ করতে পারে এবং তা সারা দেশ জুড়ে স্থাপন করা হয়েছে, ঠিক আজ সেল ফোন টাওয়ার মত।

রং পরিবর্তন করাঃএকটি ফোন কল্পনা করুন যার পেছনের অংশ গ্লাসের মত স্বচ্ছ উপাদান থেকে তৈরি এবং এর থেকে বিভিন্ন রঙের আলো বের হচ্ছে। ডিভাইসটির ভেতরে এক বা একাধিক LED থাকবে, এর রং আপনি ফোনের সেটিংস থেকে পরিবর্তন করতে পারেন (অথবা আপনার চিন্তা দিয়ে হতে পারে😊! আপনি যখন কমল রঙ পছন্দ করবেন, পুরো ব্যাক কভারটি সম্পূর্ণরূপে কমলা রঙ ধারণ করবে যেন এটি এই রঙেই পেইন্ট করা ছিল।
এই প্রযুক্তি আপনাকে যত বার আপনি চান ততবার বিভিন্ন রং এর মধ্যে স্যুইচ করতে দেবে, এছাড়াও একটি দৈনিক ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রং পরিবর্তন করার একটি মোড থাকতে পারে। আবার কয়েকটি LED যুক্ত থাকলে, আপনি রং তৈরি করতে পারেন, যেমন নোট ৭ এ আছে।
এই নতুন গ্লাস-এর উপাদান মূল ডিসপ্লের উপাদানেই তৈরি হবে, তাই ফোন ড্রপ হলেও তা ভেঙে যাবার চিন্তা করতে হবে না।

আপনার কাছে, ভবিষ্যতের কোন প্রযুক্তিটি আপনার ভালো লেগেছে তা কমেন্ট করতে ভুলবেন না কিন্তু।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

ফেসবুকে আমরা